স্বর্ণের যাকাতে নিসাব কীভাবে কাজ করে?
স্বর্ণের নিসাব সাড়ে সাত ভরি (৮৭.৪৮ গ্রাম) খাঁটি স্বর্ণ। বাংলাদেশে বেশির ভাগ গয়না ২১ বা ২২ ক্যারেটের, তাই আগে তার ওজন খাঁটি স্বর্ণে রূপান্তর করতে হয়: ২২ ক্যারেটের ৯১.৬৭%, ২১ ক্যারেটের ৮৭.৫% এবং ১৮ ক্যারেটের ৭৫%। যেমন ৮ ভরি ২১ ক্যারেট গয়নায় প্রায় ৭ ভরি খাঁটি স্বর্ণ, যা এককভাবে নিসাবের কম; কিন্তু সঙ্গে কিছু নগদ থাকলে হানাফি মাযহাবে সব মিলিয়ে রুপার নিসাবের সঙ্গে তুলনা হবে এবং যাকাত ফরজ হয়ে যাবে।
দুই অবস্থা: (১) শুধু স্বর্ণ আছে, নগদ বা রুপা নেই: খাঁটি ওজন ৮৭.৪৮ গ্রামের কম হলে যাকাত নেই। (২) স্বর্ণের সঙ্গে নগদ বা রুপাও আছে: সবের মোট মূল্য ৫২.৫ ভরি রুপার দামে পৌঁছালে পুরো সম্পদে ২.৫% যাকাত। উপরের চেকবক্স এই পার্থক্যের জন্য।
প্রদেয় যাকাত গ্রামে
যাকাত স্বর্ণের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। ফল টাকার সঙ্গে গ্রামেও দেখানো হয়, যাতে চাইলে স্বর্ণেই দিতে পারেন। মূল্য নির্ধারণে আজকের ২৪ ক্যারেট প্রতি গ্রাম দাম ব্যবহার হয়; স্বয়ংক্রিয় দাম না এলে বাজুসের দাম নিজে লিখুন।
অন্যান্য ক্যালকুলেটর
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্বর্ণের নিসাব কত?
স্বর্ণের নিসাব সাড়ে সাত ভরি, অর্থাৎ ৮৭.৪৮ গ্রাম খাঁটি স্বর্ণ। শুধু স্বর্ণ থাকলে এবং নগদ বা রুপা না থাকলে হানাফি মাযহাবে এই ওজনই মানদণ্ড। স্বর্ণের সঙ্গে নগদ বা রুপা থাকলে সব মিলিয়ে রুপার নিসাবের (৫২.৫ ভরি রুপার দাম) সঙ্গে তুলনা হয়।
ব্যবহারের গয়নায় কি যাকাত আছে?
বাংলাদেশে প্রচলিত হানাফি মাযহাব অনুযায়ী ব্যবহারের গয়নায়ও যাকাত ফরজ, যখন তা নিসাব পরিমাণ হয় এবং বছর পার হয়। অন্য কিছু মাযহাবে ব্যবহারের গয়না মাফ; তবে সতর্কতা যাকাত দেওয়াতেই।
২২ বা ২১ ক্যারেট স্বর্ণের যাকাত কীভাবে বের করব?
যাকাত খাঁটি স্বর্ণের হিসাবে হয়। ২২ ক্যারেটে ৯১.৬৭%, ২১ ক্যারেটে ৮৭.৫% এবং ১৮ ক্যারেটে ৭৫% খাঁটি স্বর্ণ থাকে। এই ক্যালকুলেটর প্রতিটি ক্যারেটের ওজন খাঁটি স্বর্ণে রূপান্তর করে আজকের ২৪ ক্যারেট দামে গুণ করে আড়াই শতাংশ বের করে।
যাকাত স্বর্ণে দেব, না টাকায়?
দুটোই জায়েজ। মোট স্বর্ণের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ (ওজনের ২.৫%) স্বর্ণ দিতে পারেন, অথবা তার আজকের বাজারমূল্যের সমান টাকা। এই ক্যালকুলেটর দুটোই দেখায়।